কেনো যাবেন নুহাশ পল্লীতে? (Nuhash Polli by Humayun Ahmed, Gazipur)

Nuhash Polli by Humayun Ahmed, Gazipur

হুমায়ুন আহমেদের নুহাশপল্লী যেনো এক শান্তিপুরি।
হুমায়ুন আহমেদ এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন আহমেদের একমাত্র আদরের সন্তান নুহাশের নামে নুহাশপল্লীর নামকরণ করা হয়েছে। ৪০ বিঘা জায়গার উপর মনের মাধুরি মিশিয়ে নুহাশ পল্লীকে এক স্বপ্নজগতের মতো করে গড়ে তুলেছেন বাংলা সাহিত্য অঙ্গনের কিংবদন্তী নায়ক হুমায়ূন আহমেদ।
২৫০ প্রজাতির দূর্লভ ঔষধি, ফলজ, বনজসহ নানা প্রজাতির গাছ, স্যুটিং স্পট, দিঘি আর তিনটি সুদৃশ্য বাংলো, “মা ও শিশু” নামের একটি সুন্দর ভাস্কর্য ছাড়াও আরও সুন্দর এবং মজার বেশ কিছু ভাস্কর্য রয়েছে এখানে। রয়েছে সুন্দর সুইমিং পুল, হুমায়ূন আহমেদের আবক্ষ মূর্তি, দীঘি লীলাবতী, পদ্মপুকুর, পাথরের মৎসকন্যা, প্রাগৈতিহাসিক যুগের প্রাণীদের বেশ কিছু মূর্তিসহ দৃষ্টিনন্দন নানান সব স্থাপত্য।
♦ জনপ্রতি প্রবেশ ফি-২০০ টাকা
♦ যেভাবে যাবেনঃ ঢাকা-গুলিস্তান থেকে ছেড়ে আসা প্রভাতি-বনশ্রী বাসে উঠে নেমে যান গাজীপুরের হোতাপাড়া বাজারে, সেখান থেকে টেম্পু বা অটোতে করে সোজা চলে যেতে পারবেন নুহাশ পল্লীতে। নুহাশ পল্লীতে ভালো খাবারের দোকান পাবেন না, তাই হোতাপাড়া বাজার থেকেই নিয়ে নিন খাবার বা অন্য কিছু।
** ইট-পাথর আর যানজটে নাকাল কর্মব্যস্ত শহরে বাস করতে করতে যদি আপনি ক্লান্তি অনুভব করেন, তাহলে কোনো এক ছুটির বিকেলে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিয়ে আসুন প্রকৃতির সব উপাদান দিয়ে সাজানো নুহাশ পল্লী থেকে **
আপনার ভ্রমণ শুভ হোক।

 

Advertisements

ফেসবুকে যে কাজগুলো নষ্ট করছে আপনার ব্যক্তিত্ব ।

Activities in Facebook are hampering your personality:

আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সোস্যাল মিডিয়ার নাম-ফেসবুক। ফেসবুকের কল্যাণে যে কোনো নিউজ ছড়িয়ে যাচ্ছে মুহূর্তের মধ্যে সমগ্র বিশ্বে। মানুষে মানুষে ভাবের আদান-প্রদান হয়েছে সহজতর। মুহূর্তের মধ্যেই পৌছে যেতে পারছি কাছের মানুষ, আপনজন বা বন্ধু বান্ধবের কাছে। কিন্তু সোস্যাল মিডিয়া সহজলভ্য বা ফ্রি পাওয়ার কারণে কিছু বলদ শ্রেণির মানুষ এই যোগাযোগ মাধ্যমটিকে মাঝেমধ্যেই বিরক্তি উদ্রেকের মাধ্যমে রুপান্তরিত করে। এই যেমন একটা ছবি দিয়ে বললো- কেউ আমিন না লিখে যাবেন না, আপনি মুসলিম হলে অবশ্যই শেয়ার করুন, আল্লাহ হলে লাইক, ভগবান হলে কমেন্ট, কমেন্টে স্টার্ট লিখেই দেখুন কি হয়, নবিজীর দাড়ি-চুল বা লাঠি, দেখামাত্রই শেয়ার, একদা মক্কা শরিফের এক হুজুর স্বপ্নে দেখেছেন. হ্যান ত্যান সাত সতেরো.. শেয়ার করলে ১০ দিনের মধ্যে সুসংবাদ না করলে আজীবন দুঃসংবাদ। আল্লাহর ১০ টি নাম শেয়ার করেন, ১০ দিনের মধ্যে সুসংবাদ পাবেন, ধর্মগ্রন্থ পোড়ানোর মিথ্যা সংবাদ! অন্যকে আঘাত করে, বা অন্যের অনুভূতিতে আঘাত, স্প্যামিং, নির্ভরযোগ্য সোর্স না জেনে কোনো তথ্য, নিউজ বা নির্যাতনের বিভৎস চিত্র শেয়ার, ফেইক অ্যাকাউন্ট, ব্যক্তিগত ছবি বা স্ট্যাটাসে যাকে তাকে ট্যাগ, অনুমতি না নিয়ে গ্রুপে অ্যাড, হুট করে কাউকে ম্যাসেঞ্জারে কল দেয়া ইত্যাদি। বিস্তারিত জেনে নিই ভিডিও থেকে। রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ধর্মের প্রতি আঘাত করে কথা হ্যাপি ফেসবুকিং!!!

কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করবেন? মানসম্মত কনটেন্ট, বেশি উপার্জন।

Earn Money From Youtube

ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জন ধীরে ধীরে বাংলাদেশের তরুনদের পছন্দের পেশায় পরিণত হচ্ছে। ইউটিউবে কাজ করে নিজেকে যেমন বিশ্বের সামনে উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে, তেমনিভাবে রয়েছে টাকা উপার্জনেরও পথ। ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ভাষাভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেলেও যুক্ত হয়েছে গুগল অ্যাডসেন্স গ্রহণের সুবিধা। তাই, ইউটিউব থেকে আয় হতে পারে আপনার একটি স্মার্ট পেশা। অনলাইনে আয় অনেক মানুষের কাছে স্বপ্ন মনে হলেও ইউটিউব হতে পারে সে স্বপ্নের সফল বাস্তবায়ন। আমরা Google বা Youtube এ Make money, bangla make money ইত্যাদি লিখে সার্চ করলে অনেক রেজাল্ট পাই, যার অনেক কিছুই অনেকের জন্য সহজ নয়। কিন্তু Youtube এর জন্য ভিডিও নির্মাণের মাধ্যমে আমরা নিজেকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি স্মার্টলি আয় করতে পারি। যা একই সাথে উপার্জন ও আনন্দের মাধ্যম। তবে খেয়াল রাখতে হবে- আপনার তৈরিকৃত ভিডিও কনটেন্ট যেনো হয় মানসম্মত, বিশ্বমানের।

কী নৃশংসতা ঘটছে রোহিঙ্গাদের সাথে! জানা উচিৎ আপনারও। (Rohingya Muslims Torture in Rakhine, Myanmar)

Rohingya Muslims Torture in Rakhine, Myanmar

প্রকৃতপক্ষে মিয়ানমারে রোহীঙ্গাদের সাথে কী নৃশংসতা ঘটছে তা সঠিকভাবে জানা প্রায় অসম্ভব। কারণ কেউ যে স্বাধীনভাবে সেখানে গিয়ে প্রকৃত ঘটনা জানবেন, তার সব পথ বন্ধ রেখেছে মিয়ানমার সরকার। কেউ বলছেন সেনাবাহিনী সেখানে জাতিগত নির্মূল অভিযান চালাচ্ছে। কারও দাবি সেখানে গণহত্যা চলছে। কিন্তু মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং আং সান সুচিএসব দাবি প্রত্যাখ্যান করছেন। তারা বলছেন, সেখানে পুলিশের ওপর রোহিঙ্গা জঙ্গীরা যে হামলা চালিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চলছে। যেসব রোহীঙ্গা শরণার্থী প্রাণ নিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে তাদের ভাষ্য এবং মিয়ানমারে এখনো অবস্থানরত কিছু রোহীঙ্গাদের পাঠানো ভিডিও ও চিত্র অনুযায়ী আজ আপনাদের জানাবো- প্রকৃতপক্ষে কী ঘটছে সেখানে। সাথে আছি আমি-আজিজুর রহমান দুলাল।

 

ম্যাজিক বাউলিয়ানার দ্বিতীয় রানার আপ লাল্টু হোসেনের এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ

Laltu Hossain: Magic Bauliana Second Runner Up

যার গানে মুগ্ধ হয়ে ফরিদা পারভিন বলেছেনঃ যদি ওর মতো আমার একটা সন্তান থাকতো!! দেখতে হ্যাংলা পাতলা আর অতি সাধারণ বেশভূষার এক গানপাগল মানুষ ইতোমধ্যেই লালন সাইজীর গান গেয়ে মাতিয়েছেন সারা দেশ। মাছরাঙা টেলিভিশন কর্তৃক আয়োজিত ম্যাজিক বাওলিয়ানা ২০১৬ তে তিনি তার অনন্য, অসাধারণ গায়কী দিয়ে জয় করেছেন বিচারকদের মন; নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। সম্পূর্ণ নিজের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন বারবার, অর্জন করেছেন ম্যাজিক বাউলিয়ানার দ্বিতীয় রানার আপ এর পুরষ্কার। তিনি আর কেউ নন, কুষ্টিয়া জেলার ইবি থানার মনোহরদিয়া ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামের মোঃ লাল্টু হোসেন। আজ কথা বলবো মাটি থেকে উঠে আসা গানপাগল এই মাটির মানুষটির সাথে।

 

Jhaudia Shahi Mosque, Jhaudia-Kushtia

ঝাউদিয়া শাহী মসজিদ, ঝাউদিয়া, কুষ্টিয়া।

Documentary about Jhaudia Shahi Mosque (Jhaudia Shahi Masjid). It is a historical place. it is located about 20 km away from Kushtia town. Every day especially at Friday many people come to enjoy the beauty of Shahi mosque and many people come to pay ‘Manat’ for fulfilling their desire. Because of Negligence of authority and mismanagement, It is being lost its tradition.

Increase computer speed (Extend Your Computer’s Life) Windows 10 (Bangla Tutorial)

Speed up your Windows Computer

Is your computer running slow? are you feeling bored for your pc performance? Here is some simple solution. In this video, I have shown ‘How to Improve your computer performance’. You can boost up your computer speed by following the tips and trick in the video. Subscribe for more video from Projukti School. **Download Malwarebytes Anti Malware for free: https://www.malwarebytes.com/mwb-down…

Complaining with No Intention of Solution (Motivational Story in Bangla)

Bangla Motivational Story

The inspirational story ‘Complaining with No Intention of Solution’ in Bengali: Once upon a time, a man (Mr. Nazim Saheb) goes to Postmaster in Post office for complaining about “My wife is lost” Postmaster said: go to the police station, We can’t find a lost man or women. It is not our operation. But Mr. Nazim saheb said seriously “Please take my complain here”. Postmaster got angry. Then??? Watch the interesting and educative story in this Channel “Sundor Jibon” *** SUBSCRIBE The Channel ‘Sundor Jibon’ to get more Motivational/Inspiration Story in Bangla ***

Microsoft Word Magic Tricks: Projukti School for better workplace (Part-4) Bangla Tutorial

Microsoft Word Magic Tricks

We started Series Tutorial Named ‘Projukti School for better workplace’ in Bangla. ‘Microsoft Word Magic Tricks’ is the Fourth tutorial of this series. In this tutorial, we have shown some of the magic tricks of MS Word. We are coming very soon with the various tutorial in this series with MS Office (Word, Excel, Powerpoint), Operating System (Windows), Search Engine, Social Media, Internet Tips and Tricks, Antivirus and Security, Multimedia, Hardware & Software Tips and many other useful tips and tricks in your Bangla Language. Stay with us and ‘Subscribe’ to get the next video of the series.

 

How to Copy Text From Image by OneNote (Easiest Method) Bangla Tutorial

Copy Text From Picture

Sometimes It is very difficult to compose many of the written words from the printed document or from the scanned image. Now you can easily convert text from Image just in a minute. Watch the full video and Subscribe The Channel “Projukti School” to get More Technology Tutorial Video in Bangla.

 

Secret to Success: Socrates and the young Man (Motivational Story in Bangla-1)

Secret to Success

The inspirational story ‘Secret to Success’ in Bengali: Once a young man asked Socrates about the secret to success. Socrates reply in a different way. This is a famous motivational story and Many people changed their life following the moral of the story. Watch The Full video to enjoy the story, take the lesson from it and implement in your life. You will succeed surely. *** SUBSCRIBE The Channel to get more Motivational/Inspiration Story in Bangla ***

কোরবানির টাকায় বন্যার্তদের সাহায্য ও আমাদের করণীয়।

কোরবানির টাকা বন্যার্তদের দান করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত?

এই মুহূর্তে ভয়াবহ বন্যার কবলে বাংলাদেশের ২৭টি জেলা।  এ পর্যন্ত ৫৭ লক্ষ ১৮ হাজার বানবাসি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ও কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। এ মুহূর্তে প্রয়োজন অসহায় মানুষদের সহায়তায় জন্য কোটি কোটি টাকার ত্রাণ সামগ্রী। অনেকেই কুরবানি না করে সেই অর্থ বন্যার্তদের মাঝে বিলিয়ে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে এ ব্যাপারে দেশের শীর্ষ মুফতিয়ে কেরাম বলছেন, কুরবানি না দিয়ে কুরবানির অর্থ বন্যার্তদের মাঝে বিলিয়ে দিলে কুরবানি আদায় হবে না। তবে দানের সওয়াব পাওয়া যাবে।  কিন্তু কুরবানির ওয়াজিব বিধান লঙ্গন হবে। এই মূহুর্তে আমাদের মতো সাধারণ মুসলিমদের করণীয় কী? আসুন স্পর্শকাতর এ বিষয়টি সম্বন্ধে যৌক্তিক ব্যাখ্যা জানার মাধ্যমে কনফিউশন দূর করি।
** কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন আপনার মতামত এবং ভিডিওটি শেয়ার করে অন্যদেরও সচেতন হতে সহায়তা করুন।
** আর এই চ্যানেল থেকে প্রকাশিত পরবর্তী লেটেস্ট ভিডিও পেতে Subscribe করে নিন।

প্রতারণা, আহসান হাবিব পেয়ার ও আমাদের করণীয় (Fraud, Ahsan Habib Pair and What to do)

Fraud, Ahsan Habib Pair and What to do

Ahsan Habib Pair (Ahp TV)
আহসান হাবিব পেয়ার, একজন জনপ্রিয় ইউটিউবার। তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছুটে বেড়িয়েছেন, পাশে দাড়িয়েছেন দরিদ্র অসহায় মানুষের। তার মতো করে হতদরিদ্র ও অসহায়ের পাশে দাঁড়ানো মানুষের সংখ্যা আজকাল খুব একটা দেখা যায় না। তিনি প্রথমে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে অসহায় মানুষকে কিছু টাকা-পয়সা দান করতেন, এটি হলো তার প্রাথমিক ইনভেস্ট। পরবর্তীতে ইউটিউবে এই ভিডিও প্রকাশের সময় ভিডিওর মধ্যে তার নিজের মোবাইল নম্বর, মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ইত্যাদি দিয়ে দিতেন। এরপর তার ঐ অ্যাকাউন্টগুলোতে যতো টাকা-পয়সা যেতো তার কোনোটিই অসহায় মানুষগুলোর কাছে পৌছতো না। এই ব্যবসায় তিনি বেশ খানিকটা সফলতাও অর্জন করেছিলেন। কিন্তু  কদিন আগেই অর্থ আত্মসাৎ, সাইবার ক্রাইম, নারী কেলেংকারীসহ আরো কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী। এছাড়াও সম্প্রতি যমুনা টিভির ইনভেস্টিগেশনে বেরিয়ে আসে তার নানা অপকর্মের চিত্র। মূলত আমাদের দেশের অধিকাংস মানুষ অত্যন্ত নরম চিত্তের অধিকারী, দয়াশীল ও সহমর্মী। আমরা সহজেই অন্যকে বিশ্বাস করে ফেলি, অন্যদেরকে অবিশ্বাস করলেও অন্তত আলেম-ওলামাদেরকে আমরা সাধারণতঃ অবিশ্বাস করি না। অত্যন্ত সুকৌশলে সেই সুযোগটিকেই কাজে লাগিয়েছিলেন আহসান হাবিব পেয়ার। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন হৃদয়স্পর্শী ইসলামী গান ও মায়ের গান গেয়ে মানুষের অন্তরে জায়গা করে নিয়েছিলেন। তার নানা অপকর্মের চিত্র আজ যখন জাতির সামনে প্রকাশিত তখন আজ আমরা অনেকেই আলেমদেরকে ঘৃণা করতে শুরু করেছি। অনেকেই বলছেন- হুজুর মানেই ভন্ড, দাড়িওয়ালা মানেই জঙ্গী, প্রতারক, ঠকবাজ। অথচ হাদীস শরীফে এসেছে আলিমগণ নবীদের উত্তরাধিকারী। এই অসৎ মানুষগুলোর কারণে আজ অনেকেই অসহায় মানুষকে আর্থিক সহযোগীতা করতেও ভরসা পান না। কিন্তু দুই-পাচজন আলেম নামের জালেমের প্রতারণার দায়ভার আমরা ঢালাওভাবে সমগ্র আলেম সমাজের উপর চাপিয়ে দিতে পারি না। আমরা মানুষকে সাহায্য করাও বন্ধ করে দিতে পারি না। এই চ্যানেল থেকে প্রকাশিত পরবর্তী ভিডিও পেতে Subscribe করে সাথেই থাকুন। ভালো থাকুন, ভালো রাখুন।

ইন্টারনেটের ভয়ংকর থাবা থেকে শিশুকে রক্ষা করুন (Protect your kids from pornography)

Protect your kids from Pornography

আপনি জানেন কী আপনার সন্তান বা ছোটো ভাই/বোন ইন্টারনেটে গোপনে কী করছে? পর্ণোগ্রাফীতে আসক্ত হয়ে পড়ছে না তো? ভুল পথে পা বাড়াচ্ছে না তো! নিজেকে সে ঠেলে দিচ্ছে না তো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে? পর্ণোগ্রাফী তার দূরন্ত শৈশবের বুকে পেরেক ঠুকে দিচ্ছে না তো?
সম্প্রতি দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত এক আর্টিকেলে বলা হয়ঃ  ১১ থেকে ১৪ বছরের যেসব ছেলেমেয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে, তাদের মধ্যে অন্তত ৬০ ভাগ নিজেদের মধ্যে এমনসব তথ্য ও চিত্র আদান-প্রদান করছে, যা তাদের ক্ষতির মুখে ফেলছে। অর্ধেক শিশু এমন সব ছবি ইন্টারনেটে দেখছে যা তাদের মানসিকভাবে আহত করছে। ইন্টারনেটে কী আছে সে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেয়ে কী নেই- তার উত্তর দেয়া হয়তো সহজ হবে। আমরা জানি- প্রতিটি আবিষ্কারের রয়েছে দুটি দিক- একটি ভালো, অন্যটি খারাপ। পর্নোগ্রাফির ভয়ংকর থাবা থেকে আমাদের তরুণ সমাজকে মুক্ত রাখা এখন রীতিমতো চ্যালেঞ্জ। আপনার সন্তান স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ চাইলেই তাকে দিয়ে বসবেন না। তাঁকে বোঝান কোনটি সঠিক, কোনটি ভুল।
বাবা-মায়ের কর্ম ব্যস্ততায় শিশুগুলো বেড়ে উঠছে একা একা। তাই ধীরে ধীরে ভার্চুয়াল বন্ধু আর স্মার্ট ডিভাইসগুলো হয়ে উঠছে ওদের নিত্যসঙ্গী। তাই যতটা পারেন বাচ্চার সঙ্গে মজার সময় কাটান। খেলুন, বই পড়ুন,গল্প শোনান। এছাড়া ছোটদের জন্য লেখা অনেক ভালো ভালো বই বাজারে পাবেন, সেগুলো ওকে উপহার দিন এবং ওকে সাথে নিয়ে আপনিও সেগুলো পড়ুন। দেখবেন ও আস্তে আস্তে এসবে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে।
শিশুকে ঘরের বাইরে যেতে, বাস্তবে নতুন নতুন বন্ধু বানাতে এবং মাঠে খেলাধূলা করতে উৎসাহিত করুন। এই বয়সে তাদের ভার্চুয়াল বন্ধুর কোনো প্রয়োজন নেই। তাই ফেসবুক বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের অবস্থান একেবারেই অপ্রয়োজনীয়। আপনার অবহেলার কারণে যদি আপনার শিশুটি অনৈতিক কাজকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তার দায়ভার কাকে দিবেন?। আমরা এরকমটি একেবারেই প্রত্যাশা করি না। আপনার শিশুটি বেড়ে উঠুক সুস্থ ও সুন্দরভাবে। সচেতন হোন, সাবধান থাকুন। ইন্টারনেটের ভয়ংকর থাবা থেকে শিশুকে রক্ষা করুন, ভিডিওটি শেয়ার করে অন্যদেরও সচেতন হতে সহায়তা করুন। আর সবার আগে এই চ্যানেল থেকে প্রকাশিত পরবর্তী লেটেস্ট ভিডিও পেতে ইউটিউব চ্যানেলটিতে সাবস্ক্রাইব করে নিন। ভালো থাকুন, ভালো রাখুন।

উপেক্ষিত বন্ধু

Upekkhito bondhu

বেসরকারি চাকুরীজীবি আরমান ঈদের ছুটিতে পরিবারসহ বাড়ি ফেরে। এসেই ফোন করে বন্ধু রবিনকে “কী রে দোস্ত, কোথায় আছিস?” রবিন বলে- এই তো আছি, কী বলবি বল। বন্ধুর রিপ্লাই দেয়ার স্টাইলে মন খারাপ হয়ে যায় আরমানের, এতোদিন পর বাড়িতে আসা দুজনের, দেখা করবে, একসাথে অনেক মজা করবে অথচ… 😦
ছোটো বেলা থেকে একসাথে বেড়ে ওঠা আরমান সকল কাজে গুরুত্ব দেয় বন্ধু রবিনকে, এমনকি নিজের পরিবারের চেয়ে বেশি। ছোটোবেলায় একবার বন্ধুর অনুপস্থিতিতে তার মায়ের অসুস্থতায় একাই দৌড়াদৌড়ি করেছিলো আরমান। ওষুধ কেনা থেকে শুরু করে নিজের সব কাজ ফেলে আন্তরিক সেবা-শুশ্রুষার মাধ্যমে বন্ধুর মাকে সুস্থ করে তোলে সে। এমন একটা ঘটনার পরেও সামান্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেনি রবিন। তবুও তাতে দুঃখ নেই আরমানের। যে কোনো উপলক্ষে প্রথম SMS টা রবিনকেই দেয় সে। নিজের যে কোনো অর্জন বা ভালো লাগার যে কোনো বিষয় সবার আগে তাকেই জানায়। যে কোনো বিজনেস প্ল্যান বা বেড়ানোর চিন্তা মাথায় এলে বন্ধু রবিনকে না জানালে যেনো শান্তি হয় না তার। যে কোনো মজার ঘটনা বা মন খারাপের কথা বন্ধুকে সবার আগে জানানো চায়। কিন্তু রবিনের সেদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই, তার জগতে অন্য কিছু খেলা করে। অন্য বন্ধু বান্ধব আর পরিবারই যেনো তার সবকিছু, যদিও রবিনের যে কোনো দুঃসময়ে সবার আগে পাশে এসে দাঁড়ায় আরমান। রবিন তাকে গুরুত্ব দিক বা না দিক, আরমান তবুও সারাক্ষণ রবিনকে নিয়েই ব্যস্ত। একবার আরমানের ৫,০০০ টাকা প্রয়োজন ছিলো, কিছু না ভেবে বন্ধু রবিনের কাছেই চেয়ে বসে। টাকা দেয়ও সে। কিন্তু দুদিন না যেতেই টাকাটা ফেরত চায় রবিন। ফেরত দিতে না পারায় দুটো কথাও শোনায় সে। অথচ কদিন আগেই রবিনের স্ত্রীর সন্তান প্রসবের সময় হাসপাতালের খরচে অফেরতযোগ্য অংশীদার হয়েছিলো আরমান। দিনের পর দিন বন্ধুর কাছে বারবার উপেক্ষিত হয়েও ছ্যাচড়ার মতো বন্ধুর জন্য মন কাঁদতো তার সবসময়। এ নিয়ে আমি নিজেও কতোবার ওকে কথা শুনিয়েছি- “যে তোর জন্য সামান্যতম চিন্তাটুকুও করে না, তার জন্য এতো পরান পোড়ে ক্যান রে তোর?” আরমানের জন্য রবিনের উপেক্ষা ছিলো নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার, এটা আমরা সবসময়ই লক্ষ্য করতাম। মানুষের আচার-ব্যবহার, কথাবার্তা যে তার অন্তঃস্থ অবস্থার প্রতিনিধিত্ব করে; মুখে না বললেও বুঝিয়ে দেয় অনেক কিছু। যায় হোক, আরমান রবিনকে ফোন করলেই উপেক্ষার ঢঙে উত্তর “কী বলবি বল” আর ব্যাক্তিগত যে কোনো বিষয়ে খোঁজখবর নিতে গেলেই উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে চলাটাকে আরমানের হৃদয়ে ক্ষত তৈরি করতে থাকে। এভাবে অনেক দিন পেরিয়ে যায়।
একদিন হঠাৎ রবিনের এক বন্ধু মারফত আরমান জানতে পারে যে, রবিন হাসপাতালে অ্যাডমিটেড। খবর নিয়ে সে জানতে পারে বন্ধুর অবস্থা আশংকাজনক, দুটি কিডনিই অকার্যকর হয়ে গেছে তার, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে কিডনি ফেলিউর বলা হয়ে থাকে। ইমিডিয়েট কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে। অথচ আরমানের ফ্লাইটের বাকী দুদিন। কাউকে কিছু না জানিয়ে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিজের একটি কিডনি দান করে বন্ধুর জীবন বাঁচাতে। এর দুদিন পর মেয়ে শ্রাবন্তী কে কোলে নিয়ে মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিতে যায় আরমান। মেয়ে শ্রাবন্তীকে দাদীর কোলে রেখে এসে সবার অগোচরে ভালোবাসার আলিঙ্গনে অশ্রুসিক্ত বিদায় নেয় স্ত্রীর কাছ থেকে। এরপর ঢাকা বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়া আরমানকে বহনকারী মালয়েশিয়াগামী ঐ বিমানটি পথিমধ্যে নিখোঁজ হলে বাড়িতে কান্নার রোল পড়ে। কিছু সময় পূর্বে বিদায় দেয়া সন্তানের দূর্ঘটনায় মায়ের গগনবিদারী আর্তনাদে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে, জ্ঞান হারান মা। প্রাণপ্রিয় স্বামীর এ খবরে মুহুর্তেই পৃথিবীর সমস্ত অন্ধকার এসে ভর করে স্ত্রী শশীর উপরে। মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আরমানের প্রিয়তমা স্ত্রী শশী। মেয়ে শ্রাবন্তী কিছু বুঝে উঠার আগেই দাদী আর মায়ের এই অবস্থা দেখে চিৎকার করে কান্না করতে থাকে। ওদিকে রবিনও হাসপাতাল থেকে আরমানের এই অবস্থার কথা জানতে পেরে ব্যথিত হয়, কিন্তু তখনও সে জানে না কার জন্য সে এখনও পৃথিবীর আলো দেখতে পারছে। পরে রবিন যখন জানতে পারে, তার শরীরের মধ্যে আরমানের কিডনি প্রতি মুহুর্তে তার রক্ত পরিশোধন করে তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে, তখন পৃথিবীর সমস্ত অনুশোচনা যেনো এসে ভর করে তার উপরে। পেছনের সব উপেক্ষার কথা মনে পড়ে যায় তার, বুকটা মোচড় দিয়ে ওঠে। সে বুঝতে পারে- যেসব বন্ধুদের সে এতাদিন গুরুত্ব দিয়ে এসেছে, আজ বিপদের দিনে কেউই পাশে নেই তার, অথচ জীবনভর যাকে উপেক্ষা আর অবহেলা করে গেছে, তার দেয়া কিডনির কারণেই রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে তার শরীরে, আজও সে উপভোগ করছে সুন্দর এ পৃথিবীর আলো-বাতাস। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। না ফেরার দেশে চলে গেছে রবিন কর্তৃক সারাজীবন উপেক্ষিত বন্ধু আরমান। টপ করে দু ফোটা জ্বল গড়িয়ে পড়ে পত্রিকার পাতার উপর। বন্ধু রবিনের চোখের জ্বলে সিক্ত হয় পত্রিকার পাতায় বন্ধু আরমানের না ফেরার খবরটি।

লেখকঃ আজিজুর রহমান দুলাল

নতুন চাকরিতে কীভাবে সফলতা অর্জন করবেন?-How to Be Successful at a New Job

How to Be Successful at a New Job in Bangla-নতুন চাকরিতে যেভাবে সফল হবেন

[আপনার নতুন চাকরিতে সফলতা পেতে চাইলে ভিডিওতে আলোচিত বিষয়গুলো মেনে চলুন, আশা করি আপনার ক্যারিয়ার হবে উজ্জ্বল, ভবিষ্যত হবে আলোকিত ]
••• সংক্ষেপেঃ
কর্মস্থলে প্রথম দিকেই আপনি orientation material গুলো ভালোভাবে absorb করুন। এটি কোম্পানীতে আপনার প্রতি solid first impression তৈরির উপযুক্ত একটি সময়।
 আসুন জেনে নিই নতুন কর্মক্ষেত্রে কীভাবে সফলতা অর্জন করবেন? 
* কোম্পানীতে আপনার ভূমিকাটি ভালভাবে বুঝুনঃ
* প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানুনঃ
* one-on-one connections তৈরি করুনঃ
* কোম্পানীর গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করুন
* আপনার বসের এক্সপেকটেশন জানতে চেষ্টা করুন অর্থাৎ তিনি আপনার নিকট থেকে কী প্রত্যাশা করেন।
* বসের সাথে Informational Meeting করুন
* ১ মাস, ২ মাস, ৩ মাস মেয়াদী পরিকল্পনা তৈরি করুন।
* আপনার বসের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে realistic goals সেটাপ করুন
* আপনার নেটওয়ার্ক প্রসারিত করুন
* প্রয়োজনের সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন
* কোনো প্রোজেক্ট বা Goals কমপ্লিট করলে তা বসকে Inform করুন
* আপনার ক্যারিয়ারকে ক্ষতিগ্রস্থ করে এমন ভুল করা থেকে বিরত থাকুন
* কোম্পানীর ব্যাপারে সর্বদা Positive থাকুন
উপরোক্ত বিষয়গুলো সঠিকভাবে মেনে চলতে পারলে আপনার চাকরি জীবন হবে মধুময়, সফল আপনি হবেনই, ইনশাআল্লাহ।
 বিস্তারিত ভিডিওতে 
Youtube Link: https://www.youtube.com/watch?v=3H69OKqJ0wc&t
ভিডিওটি ভালো লেগে থাকলে লাইক ও শেয়ার করে আমাদের উৎসাহিত করুন, আর আপনাদের মতামত জানিয়ে কমেন্ট করুন। আর, সাবস্ক্রাইব বাটনটি হলো আমাদের প্রতি আপনার ভালোবাসা। আপনি সাবস্ক্রাইব না করে থাকলে এখনই আমাদের চ্যানেলটিতে সাবস্ক্রাইব করে নিন, যাতে করে পরবর্তীতে এই চ্যানেল থেকে আরো তথ্যবহুল ভিডিও আপনি পান সবার আগে।

সেই ঈদ এই ঈদ

eid

বাবা-মায়ের সবচেয়ে ছোট সন্তান সৌরভ একদা গ্যাদা নামেই অভিহিত ছিলো, দাদু শখ করে গেদু ডাকতো। বড় হওয়ার পর থেকে সৌরভ কখনোই রোজা বাদ দিতো না, নামাজও পড়তো ৫ ওয়াক্ত। সেবার দেশে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছিলো। রাতের বেলা বৃষ্টিতে টিনের চালের মধুর শব্দে আর প্রকৃতির মিষ্টি-শীতল হাওয়ায় ফজরের নামাজের জন্য ওকে বেশ কয়েকবার ডাকা হলেও মায়ের ডাকে এবার আর ঘুম ভাঙেনি সৌরভের। তবে আগেরদিন চাঁদরাত উপলক্ষে পিকনকেরই বা দোষ কম কীসে! স্বভাবসূলভ ১০ টার পরিবর্তে পিকনিকের জন্যই তো সে রাতে ওকে বিছানায় যেতে হয়েছিলো রাত ১২ টায়।
সকালে বাড়ির উঠোনে ঘর থেকে সদ্য ছাড়া পাওয়া হাঁসের প্যাক প্যাক শব্দে ঘুম ভাঙতেই উঠে যখন দেখে সকাল ৭ টা বাজে, তখন ঈদের ভোরে ফজরে উঠতে না পারার জন্য নিজের চুল ছিড়তে থাকে আর মায়ের কাছে গিয়ে রাগ দেখাতে থাকে- “ভোরে কেনো ডাকোনি আমাকে? ” যাই হোক, বিছানার চাদরের নিচে মা সৌরভের জন্য ৫ টাকার কচকচে নতুন নোট রেখে দিয়েছিলো। চাচা-চাচী আর বড় ভাইদের নিকট থেকে ২ টাকার নতুন নতুন নোট পেয়ে বেশ খুশি খুশি লাগছিলো সৌরভের। ঈদের নামাজের এখনো ঘন্টাখানেক বাকী, কিন্তু সৌরভ তখনো জানতো না যে তার জন্য কী সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে, বড় ভাই সাজিদ ওর জন্য বাজারের সবচেয়ে লেটেস্ট প্যান্ট আর জামা কিনে লুকিয়ে রেখেছিলো। গোসল শেষ করে এসে ও যখন আগে থেকে ঠিক করে রাখা জামা-কাপড় পরতে যাচ্ছে যেটা পরে ঈদগাহে যাবে, ঠিক তখনই পেছন থেকে ভাইয়া সারপ্রাইজ বলে চিৎকার করে উঠলো। সৌরভ বললো- কীসের সারপ্রাইজ ভাইয়া? প্যাকেট খুলতেই চোখে পানি চলে এলো সৌরভের। কারণ ওর মনটা বেশ খারাপ ছিলো এজন্য যে- ঈদে এবার ওকে নতুন জামা-কাপড় দেয়নি কেউ। নতুন জামা-প্যান্ট পেয়ে ওর খুশি আর দেখে কে? এক ঝটকায় নতুন জামা-কাপড় পরেই দুই হাত দুদিকে প্রসারিত করে মুখ দিয়ে ভুম ভ্রুম শব্দ করতে করতে দে ছুট! মা ডেকে বলে ” শুনে যা সৌরভ, সেমাই খেয়ে যা…, কার কথা কে শোনে, ভ্রুম ভ্রুম করতে করতে মুখে ফেনে তুলে একটু ক্ষুধা পেলে এবার বাড়িতে ফিরলো সে। চাচা-চাচী আর ভাইদের নিকট থেকে ২ টাকার কচকচে নোটে মোট ১২ টাকা পেয়ে ভাবতে থাকলো এমন ঈদ কেনো প্রতিদিন আসে না? সেমাই খাওয়া শেষে ঘর থেকে যেই না বেরোতে উদ্যত হয়েছে, মা বিছানার তলা থেকে বের করে ৫ টাকার নোটটি সামনে ধরতেই
মাকে জড়িয়ে ধরে কিছু বলার ভাষা পেলো না সৌরভ, পেছনের সব আনন্দকে যেনো ম্লান করে দিয়েছে মায়ের দেয়া ঐ ৫ টাকার নোটটি। এক গাল হাসি দিয়ে টাকাটা পকেটে পুরতে পুরতে তার ছক কষা শেষ যে ঈদগাহে গিয়ে কী কী কিনবে।

ঈদের নামাজ শেষে পেয়াজু, আলুর চপ, বেগুনি, চমচম, দানাদার মিষ্টি, রঙিন বেলুন আর কতো কী-ই না কিনলো সে। এবার চাচা ও বন্ধুদের বাড়ি বেড়ানোর পালা। পালা করে সবার বাড়িতে সেমাই-মিষ্টি ইত্যাদি উপাদেয় খাবার খেয়ে বাড়িতে এসে একটুও বিশ্রাম নেয়ার প্রয়োজন মনে করলো না সে। ঘুরাঘুরির পর্ব যে এখনো বাকী তার। এবার ২-১ জন বন্ধুকে সাথে নিয়ে নদীর ধার, বটতলা, আর সূর্যের সাথে ভাব জমিয়ে রোদে রোদে ঘুরতে থাকা। এরপর বিকেল বেলায় মামা বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা। সেখানে একগাদা খালাতো ভাই-বোন, মামাতো ভাই-বোন, মামা-মামী, নানী সবার সাথে ঈদ যেনো এক স্বর্গীয় উৎসবে পরিণত হলো।

গল্পটা এভাবেই চলতে পারতো, কিন্তু বছর দুয়েকের মধ্যেই বাবা-মায়ের ছাড়াছাড়িতে মা চলে গেলো তার বাপের বাড়ি, বাবা সৌরভকে যেতে দিলেন না, এরপর বড় ভাই সাজিদ অবশ্য নানা বাড়িতেই মানুষ হয়েছিলেন। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ঘরে নতুন মা এলো সৌরভের। খুব অল্প বয়সে বিয়ে করায় ২৫ না পেরোনো মাকেও বিয়ে দিলো নানা বাড়ি থেকে। প্রথম কিছুদিন ভালো কাটলেও নতুন মায়ের গর্ভে সন্তান এলে কপাল পোড়া আরম্ভ হলো সৌরভের। অনেকটা দিন পেরিয়ে গেলো এভাবে………

ঢাকা শহরে এসে অন্যের রিকশা চালায় আজ সৌরভ। কদিন আগের গ্যাদা আজ রীতিমতো রিকশাচালক। ইতোমধ্যে বিয়েও করেছে সে, ঘরে তার ২ বছরের ফুটফুটে মেয়ে, নাম সুরভী। আজ আবার সেই ঈদ, মেয়ের জন্য ফুটপাত থেকে জুতসই জামা-কাপড়-জুতা পছন্দ না হওয়ায় গতকাল সন্ধ্যায় একটা শপিং মলে ঢুকে দাম জিজ্ঞাসা করতেই পকেটে যেনো টান পড়ে। বউয়ের জন্য নতুন শাড়ি, মেয়ের নতুন জামা আর নিজের জন্য নতুন একটা পাঞ্জাবী কেনার ইচ্ছা নিয়ে মার্কেটে গিয়েছিলো সে। ভাগ্যের পরিহাসে আজ সে রিকশাচালক হলেও ভেতরের গ্যাদা তো মরেনি আজও। বড় ভাইয়ের দেয়া নতুন জামায় চোখ অশ্রুসিক্ত হওয়া গ্যাদা আজো খুঁজে ফেরে তার দূরন্ত শৈশব। মেয়ের জন্য নতুন জামা কিনতেই পকেট খালি হয়ে আসে তার। নিজের জন্য না হলেও বউয়ের জন্য নতুন শাড়ি না নিলে যে ঈদটাই মাটি হয়ে যায়।
শপিং মলের হাজারো মানুষের ভীড়ে একটা নতুন শাড়ি হুট করেই ব্যাগে ভরার চেষ্টা করে সে। কিন্তু লুঙ্গি পরে শপিং করতে আসায় আগে থেকেই নজরে রেখেছিলো দোকানীরা, সাথে সাথে মেঝেতে শুইয়ে চোর চোর বলতে বলতে পিটানি শুরু করে সবাই মিলে। দুদিন পর নিজেকে সে আবিষ্কার করে হাসপাতালের বারান্দায়। চোখ খুলতেই ব্যাথায় ককিয়ে ওঠে সে, সেদিনের কথা মনে করে দুচোখের কোণা দিয়ে দুফোটা জল গড়িয়ে পড়ে তার। হঠাৎ করেই তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে দূরন্ত শৈশবের স্বর্গীয় ঈদ উদযাপনের কথা।
সুরভী আর তার মায়ের ঈদের খবর আর জানা হয়নি আমাদের।

এভাবেই গ্যাদারা তাদের স্বপ্নগুলো চোখের সামনে ধুলিস্যাৎ হতে দেখে দিনের পর দিন, সৌরভদের সৌরভ আর ছড়ায়না কখনোই; সুরভীরাও এভাবেই বিনষ্ট হয় অঙ্কুরেই। এভাবেই সৌরভদের ঈদ হয়ে যায় ধুলোমলিন আর রুপান্তরিত হয় যাতনার উপলক্ষে।
চূড়ান্ত পার্থক্য তৈরি হয় সেই ঈদ আর এই ঈদের।

 

লেখকঃ আজিজুর রহমান দুলাল

Also Published: http://www.somewhereinblog.net/blog/mardulal/30201186

Life Story of Colonel Sanders (Founder of KFC) -A Story of Great Inspiration in Bangla

Life Story of Colonel Sanders (Founder of KFC) -A Story of Great Inspiration in Bangla

The story of Colonel Sanders (Owner & Founder of KFC). There have a great motivation and inspiration in his life. He failed much time. Once upon a time after his retirement, he tried to make suicide. But he changed his decision. he decided to change his life when he is 65. Then he has founded KFC and he became Multi-Billionaire. We can take a lesson from his life story to make us successful.

..:: Please Like, Comment, Share & SUBSCRIBE our Channel ::..

কেএফসি রেস্টুরেন্ট এর প্রতিষ্ঠাতা।

৫ বছর বয়সে তিনি তার বাবাকে হারানোর পর থেকে তিনি একের পর এক ব্যার্থ হয়েছেন অসংখ্যবার।

৬৫ বছর বয়সে তিনি অবসর গ্রহণ করেন

রিটায়ারমেন্টের প্রথম দিন তিনি সরকারের পক্ষ থেকে ১০৫ ডলারের চেক গ্রহণ করেন।

তিনি চিন্তা করতে থাকেন এই বৃদ্ধ বয়সে এসে ১০৫ ডলার মাসিক ভাতায় তিনি কীভাবে তাঁর বাকী জীবন পরিচালনা করবেন?

তিনি হতাশ হয়ে গেলেন এবং ভাবতে থাকলেন আমার পুরো জীবনটাই ব্যার্থ!

এবং তিনি আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিলেন।

তিনি সুইসাইড লেটার ও অছিয়তনামা লেখার জন্য একটি গাছের নিচে বসলেন।

কিন্তু তিনি লেখা শুরু করলেন তিনি তাঁর জীবনে কী কী করতে পারতেন,

তিনি বুঝতে পারলেন, জীবনে অনেক কিছুই করার ছিলো, যা আমি করতে পারিনি। তিনি অনুধাবন করলেনঃ এমন কিছু বিষয় সে পারদর্শী, যা অন্য কেউ তাঁর মতো করে করতে  পারে না। তিনি অন্য সবার চেয়ে এটি ভালোভাবে করতে পারেন।।

এবং সেটি হলো- রান্নাবান্না। হ্যা, তাঁর স্পেশাল চিকেন।

এরপর তিনি ফিরে যান। সিদ্ধান্ত নেন ঘুরে দাড়ানোর।

তিনি ফ্রাইয়ার ও রান্নার দ্রব্যাদি কেনার জন্য ৮৭ ডলার ধার করেন।

এরপর তিনি তাঁর ইউনিক চিকেন ফ্রাই তৈরি করে তাঁর প্রতিবেশীদের নিকট বিক্রি করার চেষ্টা করতে থাকেন।

সেই সাথে তিনি রেস্টুরেন্টের লাইসেন্স পাওয়ার জন্য চেষ্টা করতে থাকেন। সেখানেও তিনি ব্যার্থ হন বেশ কয়েকবার, তবু তিনি হাল ছাড়েননি।

অবশেষে এলো সেই কাঙ্ক্ষিত সময়।

জন্ম হলো কেএফসি KFC

৮৮ বছর বয়সে কলোনেল স্যান্ডার্স মাল্টি বিলিয়নিয়ার হন এবং KFC বিশ্ব দরবারে হয়ে ওঠে একটি জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের নাম।

কেএফসি এখন সমগ্র বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চেইন রেস্টুরেন্ট।

এখন বিশ্বের ১২৩ টি দেশের প্রায় ২০,০০০ এরও বেশি স্থানে জায়গা করে নিয়েছে কেএফসি।

আপনি কতোবার ব্যার্থ হয়েছেন, সেটি ভুলে যান। শুধু আপনার লক্ষ্যে অবিচল থাকুন এবং সেটিকে সমৃদ্ধ করুন অন্য সবার চেয়ে আলাদাভাবে। আপনিই পারবেন, অবশ্যই পারবেন। সফলতা অপেক্ষা করছে আপনারই জন্য।

ﷲ আল্লাহর অস্তিত্ব ও তাঁর নৈকট্য লাভের উপায়-Existence of God and The way to get closer to him ﷲ

Existence of God and The way to get closer to him

আল্লাহর অস্তিত্ব ও তাঁর নৈকট্য লাভের উপায়।

আশা করি শেষ পর্যন্ত ভিডিওটি দেখবেন ও আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানাবেন কমেন্ট করে।

স্রষ্টা কী আসলেই আছেন? ধর্ম বিষয়টি কী পুরনো কোনো কনসেপ্ট নাকি আধুনিক যুগেও ধর্মের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে!

আজকালকার জ্ঞান-বিজ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তির যুগে মানুষ অদৃশ্য যে কোনো ব্যাক্তি/বস্তু নিয়ে প্রশ্ন তুলবে সেটাই স্বাভাবিক। তবে স্রষ্টার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন? সেটা নিতান্তই অজ্ঞতাবশত। আসুন, সেই সব অজ্ঞতার সমুচিত জবাব দিই ও প্রমাণ করি স্রষ্টার অস্তিত্ব, আধুনিক বিজ্ঞান দিয়ে।

আমি মূলতঃ এই ভিডিওটির মাধ্যমে বিজ্ঞান দিয়ে স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমাণ করার চেষ্টা করছি না,

বিজ্ঞানের কী সামর্থ আছে মহামহিম সর্বশক্তিমান মহাজ্ঞানী আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার অস্তিত্ব প্রমাণ করা বা না করার?

বরং মানুষ যখন বিজ্ঞান-প্রযুক্তির দোহাই দিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে গিয়ে স্রষ্টার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার বৃথা চেষ্টা করছে, সেই সব মূর্খদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চেয়েছি যে, তোমরা যে বিজ্ঞানের কথা বলো, আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে তা একেবারেই নস্যি, সকল বিজ্ঞানের মহা বিজ্ঞানী আল্লাহ রাব্বুল আলামীন। তোমরা যে মহাকাশ, গ্রহ নক্ষত্র নিয়ে গবেষণা করছো, সেসব তো তিনিই সৃষ্টি করেছেন। আমরা ভাগ্যবান যে, আল্লাহর মহা জ্ঞানসমুদ্র থেকে তিনি এক বিন্দু দান করেছেন আমাদের।

যেহেতু মহামহিম স্রষ্টা এ সমগ্র মহাবিশ্ব এবং সর্বোপরি আমাদের সৃষ্টি করেছেন, সুতরাং তাঁর নৈকট্য লাভই হওয়া উচিৎ আমাদের জীবনের একমাত্র প্রধান লক্ষ্য।

ভিডিওটিতে স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমাণের পাশাপাশি রমজানের রোজার ফজিলত ও সিয়াম সাধনার মাধ্যমে ত্বাকওয়ার গুণাবলি অর্জনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

এছাড়াও তাকওয়া কী? রোজার বৈজ্ঞানিক উপকারিতা কী? রোজার ফজিলত বর্ণনা, ইত্যাদি নানা বিষয় আলোচনার সাথে বাদ্যযন্ত্রহীন চমৎকার ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক  ভিডিওটিকে করে তুলেছে আকর্ষণীয় ও মনোমুগ্ধকর। লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করতে ভুলবেন না। আর সাবস্ক্রাইব না করলে আপনাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক তৈরি হবে কীভাবে? পরবর্তী ভিডিওগুলি পাবেন কীভাবে? তাই সাবস্ক্রাইব না করে থাকলে, এখনই করে ফেলুন।

চোখ ধাঁধানো হাতিরঝিল

না, এটি কোনো ভিনদেশী ট্রাভেল স্পট বা ফিল্মের দৃশ্য নয়, নয় কোনো গ্রাফিক্যাল প্রেজেন্টেশন। এটি ঢাকার সবচেয়ে সুন্দরতম বিনোদন কেন্দ্রের অন্যতম হাতিরঝিলে সম্প্রতি স্থাপিত ড্যান্সিং ওয়াটার ফাউন্টেইন। যা উপভোগ করলে আপনার কিছুক্ষণের জন্য মনে হবে আপনি হয়তো পৃথিবীর উন্নত কোনো দেশে অবস্থান করছেন। যেখানে বসে আপনি বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের সাথে বিকেল আর সন্ধ্যাটা কাটিয়ে দিতে পারবেন উচ্ছাস আর আনন্দের সাথে। ভিডিওটিতে দেখুন হাতিরঝিলের চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্য।