Life Story of Colonel Sanders (Founder of KFC) -A Story of Great Inspiration in Bangla

Life Story of Colonel Sanders (Founder of KFC) -A Story of Great Inspiration in Bangla

The story of Colonel Sanders (Owner & Founder of KFC). There have a great motivation and inspiration in his life. He failed much time. Once upon a time after his retirement, he tried to make suicide. But he changed his decision. he decided to change his life when he is 65. Then he has founded KFC and he became Multi-Billionaire. We can take a lesson from his life story to make us successful.

..:: Please Like, Comment, Share & SUBSCRIBE our Channel ::..

কেএফসি রেস্টুরেন্ট এর প্রতিষ্ঠাতা।

৫ বছর বয়সে তিনি তার বাবাকে হারানোর পর থেকে তিনি একের পর এক ব্যার্থ হয়েছেন অসংখ্যবার।

৬৫ বছর বয়সে তিনি অবসর গ্রহণ করেন

রিটায়ারমেন্টের প্রথম দিন তিনি সরকারের পক্ষ থেকে ১০৫ ডলারের চেক গ্রহণ করেন।

তিনি চিন্তা করতে থাকেন এই বৃদ্ধ বয়সে এসে ১০৫ ডলার মাসিক ভাতায় তিনি কীভাবে তাঁর বাকী জীবন পরিচালনা করবেন?

তিনি হতাশ হয়ে গেলেন এবং ভাবতে থাকলেন আমার পুরো জীবনটাই ব্যার্থ!

এবং তিনি আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিলেন।

তিনি সুইসাইড লেটার ও অছিয়তনামা লেখার জন্য একটি গাছের নিচে বসলেন।

কিন্তু তিনি লেখা শুরু করলেন তিনি তাঁর জীবনে কী কী করতে পারতেন,

তিনি বুঝতে পারলেন, জীবনে অনেক কিছুই করার ছিলো, যা আমি করতে পারিনি। তিনি অনুধাবন করলেনঃ এমন কিছু বিষয় সে পারদর্শী, যা অন্য কেউ তাঁর মতো করে করতে  পারে না। তিনি অন্য সবার চেয়ে এটি ভালোভাবে করতে পারেন।।

এবং সেটি হলো- রান্নাবান্না। হ্যা, তাঁর স্পেশাল চিকেন।

এরপর তিনি ফিরে যান। সিদ্ধান্ত নেন ঘুরে দাড়ানোর।

তিনি ফ্রাইয়ার ও রান্নার দ্রব্যাদি কেনার জন্য ৮৭ ডলার ধার করেন।

এরপর তিনি তাঁর ইউনিক চিকেন ফ্রাই তৈরি করে তাঁর প্রতিবেশীদের নিকট বিক্রি করার চেষ্টা করতে থাকেন।

সেই সাথে তিনি রেস্টুরেন্টের লাইসেন্স পাওয়ার জন্য চেষ্টা করতে থাকেন। সেখানেও তিনি ব্যার্থ হন বেশ কয়েকবার, তবু তিনি হাল ছাড়েননি।

অবশেষে এলো সেই কাঙ্ক্ষিত সময়।

জন্ম হলো কেএফসি KFC

৮৮ বছর বয়সে কলোনেল স্যান্ডার্স মাল্টি বিলিয়নিয়ার হন এবং KFC বিশ্ব দরবারে হয়ে ওঠে একটি জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের নাম।

কেএফসি এখন সমগ্র বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চেইন রেস্টুরেন্ট।

এখন বিশ্বের ১২৩ টি দেশের প্রায় ২০,০০০ এরও বেশি স্থানে জায়গা করে নিয়েছে কেএফসি।

আপনি কতোবার ব্যার্থ হয়েছেন, সেটি ভুলে যান। শুধু আপনার লক্ষ্যে অবিচল থাকুন এবং সেটিকে সমৃদ্ধ করুন অন্য সবার চেয়ে আলাদাভাবে। আপনিই পারবেন, অবশ্যই পারবেন। সফলতা অপেক্ষা করছে আপনারই জন্য।

ﷲ আল্লাহর অস্তিত্ব ও তাঁর নৈকট্য লাভের উপায়-Existence of God and The way to get closer to him ﷲ

Existence of God and The way to get closer to him

আল্লাহর অস্তিত্ব ও তাঁর নৈকট্য লাভের উপায়।

আশা করি শেষ পর্যন্ত ভিডিওটি দেখবেন ও আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানাবেন কমেন্ট করে।

স্রষ্টা কী আসলেই আছেন? ধর্ম বিষয়টি কী পুরনো কোনো কনসেপ্ট নাকি আধুনিক যুগেও ধর্মের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে!

আজকালকার জ্ঞান-বিজ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তির যুগে মানুষ অদৃশ্য যে কোনো ব্যাক্তি/বস্তু নিয়ে প্রশ্ন তুলবে সেটাই স্বাভাবিক। তবে স্রষ্টার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন? সেটা নিতান্তই অজ্ঞতাবশত। আসুন, সেই সব অজ্ঞতার সমুচিত জবাব দিই ও প্রমাণ করি স্রষ্টার অস্তিত্ব, আধুনিক বিজ্ঞান দিয়ে।

আমি মূলতঃ এই ভিডিওটির মাধ্যমে বিজ্ঞান দিয়ে স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমাণ করার চেষ্টা করছি না,

বিজ্ঞানের কী সামর্থ আছে মহামহিম সর্বশক্তিমান মহাজ্ঞানী আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার অস্তিত্ব প্রমাণ করা বা না করার?

বরং মানুষ যখন বিজ্ঞান-প্রযুক্তির দোহাই দিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে গিয়ে স্রষ্টার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার বৃথা চেষ্টা করছে, সেই সব মূর্খদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চেয়েছি যে, তোমরা যে বিজ্ঞানের কথা বলো, আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে তা একেবারেই নস্যি, সকল বিজ্ঞানের মহা বিজ্ঞানী আল্লাহ রাব্বুল আলামীন। তোমরা যে মহাকাশ, গ্রহ নক্ষত্র নিয়ে গবেষণা করছো, সেসব তো তিনিই সৃষ্টি করেছেন। আমরা ভাগ্যবান যে, আল্লাহর মহা জ্ঞানসমুদ্র থেকে তিনি এক বিন্দু দান করেছেন আমাদের।

যেহেতু মহামহিম স্রষ্টা এ সমগ্র মহাবিশ্ব এবং সর্বোপরি আমাদের সৃষ্টি করেছেন, সুতরাং তাঁর নৈকট্য লাভই হওয়া উচিৎ আমাদের জীবনের একমাত্র প্রধান লক্ষ্য।

ভিডিওটিতে স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমাণের পাশাপাশি রমজানের রোজার ফজিলত ও সিয়াম সাধনার মাধ্যমে ত্বাকওয়ার গুণাবলি অর্জনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

এছাড়াও তাকওয়া কী? রোজার বৈজ্ঞানিক উপকারিতা কী? রোজার ফজিলত বর্ণনা, ইত্যাদি নানা বিষয় আলোচনার সাথে বাদ্যযন্ত্রহীন চমৎকার ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক  ভিডিওটিকে করে তুলেছে আকর্ষণীয় ও মনোমুগ্ধকর। লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করতে ভুলবেন না। আর সাবস্ক্রাইব না করলে আপনাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক তৈরি হবে কীভাবে? পরবর্তী ভিডিওগুলি পাবেন কীভাবে? তাই সাবস্ক্রাইব না করে থাকলে, এখনই করে ফেলুন।

চোখ ধাঁধানো হাতিরঝিল

Hatirjheel Dancing Water Fountain thumbnail

না, এটি কোনো ভিনদেশী ট্রাভেল স্পট বা ফিল্মের দৃশ্য নয়, নয় কোনো গ্রাফিক্যাল প্রেজেন্টেশন। এটি ঢাকার সবচেয়ে সুন্দরতম বিনোদন কেন্দ্রের অন্যতম হাতিরঝিলে সম্প্রতি স্থাপিত ড্যান্সিং ওয়াটার ফাউন্টেইন। যা উপভোগ করলে আপনার কিছুক্ষণের জন্য মনে হবে আপনি হয়তো পৃথিবীর উন্নত কোনো দেশে অবস্থান করছেন। যেখানে বসে আপনি বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের সাথে বিকেল আর সন্ধ্যাটা কাটিয়ে দিতে পারবেন উচ্ছাস আর আনন্দের সাথে। ভিডিওটিতে দেখুন হাতিরঝিলের চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্য।

Bhawal Rajbari – Historical Place to Visit in Bangladesh

Bhawal Rajbari (History of Bhawal Raj Estate)

Bhawal Rajbari- A Beautiful historical place in Bangladesh. It is Second largest zamindari estate in Bangla (in Modern day-Bangladesh). The bhawal estate is now situated in Gazipur. Now It is being used as Gazipur Deputy Commissioner’s Office.
You can visit this place to get the taste of history and know about tradition and lifestyle of Bangla Zamindar.

Panam City Sonargaon-Archaeological Ruins in Bangladesh

Panam City Sonargaon

A short Documentary about Panam city in Sonargaon, Narayanganj, Dhaka, Bangladesh. In this short video you can see the Archaeological ruins of The Panam City Sonargaon. It is a historical place. It is witness of time and history.

Cambrian School & College, Keranigonj (BSB-Cambrian Education Group)

Cambrian School & College, Keranigonj

Documentary of Cambrian School & College, Campus-12 (Present-Bhaban-10), Keranigonj, Dhaka (Part of BSB-Cambrian Education Group)

ক্যামব্রিয়ান স্কুল এ্যাণ্ড কলেজ, ক্যাম্পাস-১২ (বর্তমান ভবন ১০), কেরানিগঞ্জ, ঢাকা এর প্রামাণ্য চিত্র।

Cambrian School & college is a sister concern of BSB-Cambrian Education Group in Dhaka, Bangladesh.

Tags: Cambrian School & College | cambrian college | bsb cambrian | cambrian news | ssc admission | hsc admission | education | best college in dhaka | popular college in dhaka | popular school in dhaka | Ln. M K Bashar | bsb foundation | cambrian education group | cambrian school | study abroad | student visa | azizur rahman dulal | bangladesh education | dhaka education | dhaka school | keranigonj

21 February- আসুন জানি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সঠিক ইতিহাস।

21 February-International Mother Language Day.

২১ ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এ দিনে ভাষার জন্য প্রাণ দিয়ে অনেক আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা বাংলা কে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিলাম। পৃথিবীতে এই প্রথম কোনো জাতি অনেক প্রাণের বিনিময়ে মাতৃভাষার মর্যাদা আনতে সক্ষম হয়েছিলো, তাই ইউনেস্কো ২০০০ সালে এই দিনটিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। কিন্তু দু.খজনক হলেও সত্য যে, আমাদের অনেকেই জানি না- প্রকৃতপক্ষে কী ঘটেছিলো এ দিন? আসুন জেনে নিই সঠিক ইতিহাস, জানাই অন্যকে। গর্ব করি নিজের ভাষা নিয়ে, ভালোবাসি বাংলা কে।

Tags: International mother language day | 21 february | 21st february | martyrs day | international martyrs day | শহিদ দিবস | শহীদ দিবস | আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস | মজার ভিডিও | prank | bangla prank | সত্য ঘটনা | ভাষা দিবস | আসল ঘটনা | মাতৃভাষা দিবস | স্বাধীনতা দিবস | বিজয় দিবস | বাংলাদেশের ইতিহাস | ১৯৫২ সালের ইতিহাস | history of bangladesh | true facts | স্বাধীনতার ইতিহাস

চেতনার পুড়ি খ্যাতা

আজ হতে ৪৪ বছর আগে গো যারা
প্রাণ দিলে এ দেশের তরে,
রক্তস্রোতে ভাসলে যারা
প্রাণের মায়া তুচ্ছ করে

ঘরে রেখে স্ত্রী
মা-বাবা ভাই-বোন
ঘুমায়ে রয়েছো একা একা
কবর গহীন কোণ।

বুলেটের থাবাকে করনিকো ভয়
কাপোনি দেখে রক্ত চোখ,
তোমাদের তরে দেখাই আজো
লোক দেখানো শোক।

ব্যবসা করছি তোমাকে নিয়ে
মরেও শান্তি নাই
চেতনার ব্যবসার পুঁজি গো তুমি
কোন দেশে আছি হায়!

তোমরা দিয়ে গেলে স্বাধীণ দেশ
ব্যবসা করছি ভালোই বেশ
নিজের উদর পূর্ণ করতে
নেই কোনো লাজ লেশ।

বিজয় দিবসে বলছি কী আজ
রাজাকার আমি নাকি!
না না ! জন্মেছি গো অনেক পরে
রাজাকার নই, নিশ্চয় পাকি।

চেতনার বাজার গরম রেখে
দাদাবাবুদের কোলে রেখেছি মাথা
বাঙালি সে তো মাথা মোটা
ভাবার সময় কই অযথা!

রক্ত যারা দিয়েছিলে ও ভাই
ফিরিয়ে দাও সে স্বাধীনতা
চেতনার ব্যবসা চাইনা আমি
চেতনার পুড়ি খ্যাতা।

যে দেশে নাই দারিদ্র-ক্ষুধা
ডাস্টবিনে কেউ কুড়ায়না ভাত
চেপে ধরে না কেউ কন্ঠ মোর
কোথা সে স্বাধীনতার পূর্ণ স্বাদ!

নারীর প্রতি সহিংশতাঃ পশ্চিমা সংস্কৃতি, সুশীল জীব ও ইসলাম

women right in bangladesh

বর্তমান প্রেক্ষাপটঃ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, রাস্তা-ঘাট, আজ কোথাও নিরাপদ নয় নারীরা।
কমছে না নারীর প্রতি সহিংশতা, বেড়েই যাচ্ছে দিনকে দিন। পত্র-পত্রিকা, সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই চোখে পড়ে নারীর প্রতি অমানবিকতা আর নৃশংশতা।

পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রভাবঃ
পশ্চিমা সংস্কৃতি কী দিলো আমাদের? মেয়েদের জিন্স- টি-শার্ট, মিনি স্কাট ইত্যাদি পরিয়ে রাস্তায় বের করে সহজলভ্য, সস্তা আর কামনার বস্তু বানিয়ে দিলো পুরুষের জন্য। আমাদের শেখালো বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের উপকারীতা ও প্রয়োজনীয়তা। আমরা পেলাম নতুন ফর্মুলা, এগিয়ে গেলো আমাদের দেশ, উর্ধ্বমুখী হলো ধর্ষনের পরিসংখ্যান।
আমরা যাদের অনুসরণ করে আধুনিক হওয়ার চেষ্টা করছি, তাদের দেশে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের হার আর প্রতি মিনিটে ধর্ষণের সংখ্যাগুলো আমাদের দৃষ্টি এড়ায় সহজেই।

সুশীল সমাজের অবদানঃ
প্রগতিশীল সুশীল নামক এক অদ্ভুত প্রজাতির জীব আছে এই দেশে, যারা সারাদিন এই বলতে বলতে মুখে ফেনা তোলে যে- “ধর্ম মেয়েদের বন্দী করে রেখেছে। এসো তোমাদের বন্দীশালা থেকে মুক্ত করি, যাতে করে মুক্তমনে মুক্তভাবে তোমরা চলতে পারো,” (আর মুক্তচিন্তার পুরুষগুলি মুক্তমাঠে তোমাদের বস্ত্রহরণ করতে পারে)।

নারীর সম্মানে ইসলামঃ
কোনো রাজনীতি, কোনো দর্শন, কোনো জাতীয়তাবাদ, কোনো সেক্যুলারিজম, কোনো কমিউনিস্ট কী পেরেছে নারীদের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দিতে? পেরেছিলো ইসলাম। ইতিহাস সাক্ষী, ইসলাম নারীদের বন্দী করেনি, সে যুগে নারীরা যখন শুধুমাত্র ভোগ্য বস্তু হিসেবে পরিগণিত ছিলো, সে যায়গা থেকে তাদের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছিলো একমাত্র, শুধুমাত্র, কেবলমাত্র ইসলাম। আজও যেসব নারীরা লাঞ্চনা, বঞ্চনা, অপমান আর নির্যাতনের শিকার, তাদের উদ্দেশ্যে বলি- ফিরে এসো সে পথে, যে পথ তোমায় দিতে পারে সম্মান, প্রাপ্য মর্যাদা।
রাসুল (সাঃ) নারীদের সম্মান দিয়েছেন। রাসুল (সাঃ) বলেছেন, “কেউ যদি কন্যাসন্তান প্রতিপালন নিয়ে কষ্টে পড়ে এবং ধৈর্য ধরে তাদের প্রতি সুন্দর আচরণ করে যত্নসহকারে লালন-পালন করে এবং তাদের শিষ্টাচার করে গড়ে তোলে- কিয়ামত দিবসে এ কন্যা সন্তানরা তার জন্য জাহান্নামের মাঝে আড়াল হয়ে দাঁড়াবে।” (বুখারি, মুসলিম)
পবিত্র কোরানে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা নারীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার কর।’ (সুরা নিসা : আয়াত : ১৯)

শেষকথাঃ ইসলাম নারী-পুরুষ উভয়ের সম্মান রক্ষার্থে দিয়েছে অভূতপূর্ব ফর্মুলা। সমাজে ও রাষ্ট্রে এ ফর্মুলার বাস্তবায়নই পারে সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনতে, পারে সামাজিক অবক্ষয় রোধ করতে, সর্বোপরি নারীর সম্মান নিশ্চিত করতে। সেই সাথে পরিবর্তন করা প্রয়োজন আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিরও। আসুন আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের যায়গা থেকে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি। এ পৃথিবীকে করি নারী তথা সকলের জন্য নিরাপদ।