Tag Archives: bd local bus

হরেক রকম আচারের উৎসব, আছে স্পেশাল বাঁশের আচার। (আচার উৎসব-২০১৮)

আচার উৎসব-২০১৮

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের সামনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ‘প্রাণ’ আয়োজিত আচার উৎসব। এখানে অংশগ্রহণকারীরা বানিয়ে এনেছিলেন নানান সুস্বাদু সব আচার। মজা পেয়েছিলাম বাঁশের আচারের নাম শুনে। আপনারাও দেখে নিন আচার উৎসবের খানিকটা।

Advertisements

Bhawal Rajbari-রূপকথাকে হার মানানো ভাওয়াল রাজার বাস্তব কাহিনী।

(Story of Bhwal Estate/Bhawal Case) ভাওয়াল রাজার কাহিনী

রূপকথার অনেক কাহিনি শুনে আমরা বিমোহিত হই। রহস্য ও রোমাঞ্চকর সেসব গল্পের ঠায় হয় সাহিত্য কিংবা চলচ্চিত্রে। কিন্তু বাস্তবে সে সব রূপকথাকেও হার মানায় গাজীপুরের জয়দেপুরের ভাওয়ালের ‘মৃত’রাজার সন্ন্যাসী হিসাবে আর্বিভাবের জমজমাট কাহিনি। এটি ছিল অবিভক্ত বাংলায় ইংরেজ শাসনামলের অন্যতম চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত ঘটনা।মৃত্যুর বার বছর পর হাজির হয়ে জমিদারির অংশ ও নিজের স্বীকৃতির দাবি তুললে পরিস্থিতি কী হতে পারে, ভাওয়ালের সন্ন্যাসী রাজার এই কাহিনি না শুনলে তা অনুমান করাও অসম্ভব। ভাওয়াল রাজার এই গল্পটি বাস্তব হলেও গল্পে, চলচ্চিত্রে, পত্র-পত্রিকায় ও নাটকে আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা নিয়ে অনেক কাল্পনিক ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। এখনও স্থানীয়দের লোকমুখে রাণী বিভাবতী ও চিকিৎসক আশুতোষ দাসগুপ্তকে নিয়ে রসাত্মক অনেক গল্প প্রচলিত রয়েছে। বিখ্যাত অভিনেতা উত্তম কুমারের একটি চলচ্চিত্র ‘সন্ন্যাসী রাজা’নির্মিত হয়েছিল এই ভাওয়াল রাজার গল্প নিয়েই। বড়ই বিচিত্র আমাদের এই পৃথিবী। কত ধরনের অদ্ভুত সব ঘটনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আমাদের চারপাশে। মাঝে মাঝে বাস্তবেও আমাদের এমন ঘটনার সাক্ষী হতে হয়, যার সাথে চলচ্চিত্রের কাল্পনিক গল্পের পার্থক্য করাই মুশকিল হয়ে পড়ে। আপনার আশেপাশেও ঘটে যাওয়া এমন সব গল্প, দর্শনীয় স্থাপনা, সুপ্ত প্রতিভাধর ব্যক্তিত্ব, অবহেলিত জনপদ, আপনার দৃষ্টিতে অসামঞ্জস্যতা বা যা তুলে ধরা দরকার বিশ্বের কাছে, তা জানাতে পারেন আমাদেরকে। BD Local bus টিম পৌছে যাবে সেখানে। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে ই-মেইল করুনঃ thelocalbus@gmail.com অথবা Message করুন facebook.com/bdlocalbus এ। আমাদের চ্যানেলটিতে আপনি এখনো সাবস্ক্রাইব না করে থাকলে এই চ্যানেল থেকে প্রকাশিত পরবর্তী ভিডিও মিস করতে যাচ্ছেন আপনি। আর মিস করতে না চাইলে এখনই সাবস্ক্রাইব করে ফেলুন BD Local Bus চ্যানেলটিতে। ধন্যবাদ সবাইকে।

বিজয় দিবস ও আমাদের প্রত্যাশা (16 December, Victory Day of Bangladesh)

বিজয় দিবস ও আমাদের প্রত্যাশা

16 December Bijoy Dibos

১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। একাত্তরের এই দিনে দখলদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে নয় মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়েছিল। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখণ্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশের দিন আজ।
৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে বাঙালি জাতি প্রতিষ্ঠা করেছিল একটি রাষ্ট্র। পেয়েছিল একটি স্বাধীন দেশ। পেয়েছিলো লাল-সবুজের পতাকা। আজকের দিনটি তাই গৌরবের, বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার দিন আজ। আজ বিজয়ের বার্ষিকীতে আমরা শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি সেইসব বীর শহীদদের, যাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে লাল-সবুজের পতাকা।
শহীদদের স্মরণ করতে তাই আজ আমরা গিয়েছিলাম মহান স্মৃতিসৌধে।
চারিদিকে সবুজ বৃক্ষরাজি, আর সম্মুখভাগে লাল ইট দিয়ে আচ্ছাদিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচু উচু মিনারগুলো দাঁড়িয়ে আছে আমাদের ত্যাগ-তিতিক্ষা, স্বাধীনতা, সংগ্রাম আর গৌরবময় ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে।
সাভারের এই জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা। এখানে মুক্তিযুদ্ধে নিহতদের দশটি গণকবর রয়েছে। এ ছাড়াও এর চতুর্দিকে রয়েছে বিস্তৃত এলাকা নিয়ে সবুজ বৃক্ষরাজি ।
১৫০ ফুট উচ্চতার সৌধটি সাত জোড়া ত্রিভুজাকৃতির দেয়াল নিয়ে গঠিত। দেয়ালগুলো ছোট থেকে ক্রমশঃ বড়ক্রমে সাজানো হয়েছে। এই সাত জোড়া দেয়াল বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ধারাবাহিক পর্যায়কে নির্দেশ করে।
এটি শহীদদের প্রতি জাতির শ্রদ্ধার উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। প্রতি বছরের স্বাধীনতা দিবস আর বিজয় দিবসে এ স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বহু দূর-দূরান্ত থেকে এদিন এখানে এসেছিলন হাজারো দেশপ্রেমিক জনতা। তাঁদের সাঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পেরেছি দেশের প্রতি, শহীদদের প্রতি তাঁদের আবেগ, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার কথা। এদিন সবার মুখে ছিলো বিজয়ের হাসি আর সবার চোখেমুখে ছিলো এই দেশকে ভালোবেসে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃপ্ত প্রত্যয়।
তবে এদিন এই স্মৃতিসৌধে একটি বিষয় আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করেছি যে, অনেকেই না জেনে এখানকার গণকবরগুলোর উপর হাটাচলা করছেন, কেউবা ছবি তুলছেন। এ বিষয়ে অনেকেই তাঁদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন আমাদের। আমরাও যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যাতে করে এই কবরগুলোর সামনে নোটিসবোর্ড দিয়ে সর্বসাধারণকে গণকবরের উপরে না উঠার জন্য অনুরোধ করা হয়।
এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আমরা লাভ করেছি স্বাধীনতা। আমাদের স্বপ্ন ছিল অনেক, কিন্তু পূরণ হয়েছে সামান্যই।স্বাধীনতার ৪৬ বছরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বেশ কিছু অর্জন থাকলেও প্রতিটি নাগরিকের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়নি এখনো। এখনো দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। এখনো বহু মানুষ ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও অপুষ্টির শিকার। এসব ক্ষেত্রে আমাদের আরও অনেক কিছু করণীয় রয়েছে। এছাড়া আমাদের অগ্রগতির পথে বড় যে সমস্যা, তা হলো দুর্নীতি। প্রশ্ন ফাঁস থেকে শুরু করে শিক্ষার নামে কোচিং বাণিজ্য, সাধারণ মানুষের টাকা ভক্ষণ, ঘুষ, অপহরণ, ছিনতাই, অশ্লীলতা, মাদকদ্রব্যের আগ্রাসন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মিথ্যা মামলা, গুম, খুন ইত্যাদি আমাদের স্বাধীনতা আর বিজয়ের ইতিহাসকে ম্লান করে দিচ্ছে অনেকাংশে।
আমরা চাই নকলমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা, প্রতিষ্ঠিত হোক ঘুষ ছাড়াই চাকরির অধিকার, আমাদের দেশ হোক দুর্নীতিমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত। আমরা চাই না বাসস্থানের অভাবে কেউ রাত কাটাক রাস্তার ধারে, চাইনা ডাস্টবিনে কুকুরের সাথে পাল্লা দিয়ে খাদ্য খুজুক আর কোনো শিশু। যে উদ্দেশ্য নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ দিয়েছিলো বীর শহীদেরা, তাঁদের স্বপ্ন পূরণের জন্য দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়াই হোক বিজয় দিবসের অঙ্গীকার।

Golap Gram (Sadullapur, Birulia) ঘুরে আসুন গোলাপের রাজ্য গোলাপ গ্রাম থেকে।

Golap Gram, Sadullapur

Golap Gram Sadullapur, Birulia Web

সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে তুরাগ নদীর তীরে এই গোলাপ গ্রাম সাদুল্লাহপুরের অবস্থান। এখানে চতুর্দিকে গোলাপের সমারোহ। লাল টকটকে গোলাপ মাথা নাড়িয়ে বাতাসে সৌরভ ছড়িয়ে যেনো স্বাগত জানায় প্রকৃতিপ্রেমিদের। দিগন্ত বিস্তৃত সারি সারি গোলাপে সেজে আছে পুরো গ্রাম। যতোদুর চোখ যায় শুধু গোলাপ আর গোলাপ।

ঢাকার আশেপাশে অল্প সময়ের জন্য কোথাও ঘুরে আসতে চাইলে সাদুল্লাপুর হতে পারে আপনার জন্য একেবারেই উপযুক্ত জায়গা। যাত্রা পথে যেমন নদীর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন, তেমনি গোলাপের সৌন্দর্যও দেখতে পারবেন খুব কাছ থেকে। গোলাপ গ্রামের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে ছুটে আসেন প্রকৃতিপ্রেমি ভ্রমণপিপাসু মানুষজন।

এখানকার কোনো কোনো চাষী সকাল সকাল ফুল কেটে নিয়ে যান হাটে, দুপুরের পর সেসব ক্ষেতে তাই পাওয়া যায়না ফুলের দেখা। তবে যেসব ক্ষেতের ফুল কাটা হয় বিকেলে, সেসব জায়গায় খুব সহজেই আপনি উপভোগ করতে পারবেন ক্ষেত ভরা মোহনীয় ফুলের সারি সারি মিলনমেলা। সাদুল্লাপুরের পাশেই শ্যামপুর, এখানে বিকেলবেলায় আপনি উপভোগ করতে পারবেন সারি সারি ফুটন্ত গোলাপ ফুল। কারণ এই শ্যামপুরেই সন্ধ্যায় বসে গোলাপের হাট। তাই এখানকার গোলাপ চাষীরা সকালে ফুল না কেটে সাধারণতঃ বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফুল কেটে থাকেন।

এখানকার গ্রামের প্রায় ৯০ ভাগ লোকের পেশা গোলাপ চাষ। এখানে মূলত মিরান্ডা প্রজাতির লাল গোলাপের চাষ হয়। পুরো গ্রাম জুড়ে সারা বছরই হয় ফুলের চাষ। গোলাপ চাষের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আমরা কথা বলেছি এখানকার কয়েজন ফুল চাষীর সাথে।
এখানে ফুলচাষীরা সাধারণতঃ পাইকারি ১ থেকে দেড় টাকা দরে বিক্রি করে থাকেন প্রতি পিছ ফুল। আপনি চাইলে বেছে বেছে কিছু গোলাপ নিজের জন্যও কিনে আনতে পারেন খুব সস্তায়।

যেভাবে যাবেনঃ গাবতলী কিংবা মিরপুর এক নম্বর গোল চত্বর থেকে রিকশাতেই দিয়াবাড়ি বটতলা ঘাট যাওয়া যায়। ঘাট থেকে ৩০ মিনিট পরপর সাদুল্লাহপুরের উদ্দেশে ট্রলার ছাড়ে। জনপ্রতি ২০ টাকা ভাড়ায় নদীর অপরুপ সৌন্দর্য আর ঠান্ডা বাতাস উপভোগ করতে করতে মাত্র ৩০ মিনিটেই পৌছে যাবেন গোলাপগ্রামখ্যাত সাদুল্লাপুরে।
আর সড়কপথে যেতে চাইলে ঢাকার যে কোনো জায়গা থেকে চলে আসুন মিরপুর-১ মাজারের সামনে। সেখান থেকে বাস বা টেম্পুতে উঠে ১৫ থেকে ২০ টাকা ভাড়ায় চলে আসুন আকরাইন বাজার, সেখান থেকে অটোতে উঠে জনপ্রতি ১৩ টাকার ভাড়ায় পৌছে যাবেন সারি সারি গোলাপের রাজ্য সাদুল্লাপুরে।

ঢাকার এতো কাছে মনমাতানো এই গোলাপের রাজ্যে আগে না আসার আক্ষেপে কবিগুরুর বিখ্যাত কবিতার সেই চরণযুগল বারবারই মনে হয়েছে আমারঃ

‘বহু দিন ধ’রে
বহু ক্রোশ দূরে
বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে
দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা, দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।
দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া
একটি ধানের শিষের উপরে একটি শিশিরবিন্দু।’

সব মিলিয়ে বিরুলিয়া যেন এক রূপকথার দেশ।

নুহাশ পল্লী- কেনো যাবেন? কিভাবে যাবেন? বিস্তারিতঃ (Nuhash Polli by Humayun Ahmed, Gazipur)

Nuhash Polli by Humayun Ahmed, Gazipur

হুমায়ুন আহমেদের নুহাশপল্লী যেনো এক শান্তিপুরি।
হুমায়ুন আহমেদ এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন আহমেদের একমাত্র আদরের সন্তান নুহাশের নামে নুহাশপল্লীর নামকরণ করা হয়েছে। ৪০ বিঘা জায়গার উপর মনের মাধুরি মিশিয়ে নুহাশ পল্লীকে এক স্বপ্নজগতের মতো করে গড়ে তুলেছেন বাংলা সাহিত্য অঙ্গনের কিংবদন্তী নায়ক হুমায়ূন আহমেদ।
২৫০ প্রজাতির দূর্লভ ঔষধি, ফলজ, বনজসহ নানা প্রজাতির গাছ, স্যুটিং স্পট, দিঘি আর তিনটি সুদৃশ্য বাংলো, “মা ও শিশু” নামের একটি সুন্দর ভাস্কর্য ছাড়াও আরও সুন্দর এবং মজার বেশ কিছু ভাস্কর্য রয়েছে এখানে। রয়েছে সুন্দর সুইমিং পুল, হুমায়ূন আহমেদের আবক্ষ মূর্তি, দীঘি লীলাবতী, পদ্মপুকুর, পাথরের মৎসকন্যা, প্রাগৈতিহাসিক যুগের প্রাণীদের বেশ কিছু মূর্তিসহ দৃষ্টিনন্দন নানান সব স্থাপত্য।
♦ জনপ্রতি প্রবেশ ফি-২০০ টাকা
♦ যেভাবে যাবেনঃ ঢাকা-গুলিস্তান থেকে ছেড়ে আসা প্রভাতি-বনশ্রী বাসে উঠে নেমে যান গাজীপুরের হোতাপাড়া বাজারে, সেখান থেকে টেম্পু বা অটোতে করে সোজা চলে যেতে পারবেন নুহাশ পল্লীতে। নুহাশ পল্লীতে ভালো খাবারের দোকান পাবেন না, তাই হোতাপাড়া বাজার থেকেই নিয়ে নিন খাবার বা অন্য কিছু।
** ইট-পাথর আর যানজটে নাকাল কর্মব্যস্ত শহরে বাস করতে করতে যদি আপনি ক্লান্তি অনুভব করেন, তাহলে কোনো এক ছুটির বিকেলে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিয়ে আসুন প্রকৃতির সব উপাদান দিয়ে সাজানো নুহাশ পল্লী থেকে **
আপনার ভ্রমণ শুভ হোক।

 

ম্যাজিক বাউলিয়ানার দ্বিতীয় রানার আপ লাল্টু হোসেনের এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ

Laltu Hossain: Magic Bauliana Second Runner Up

যার গানে মুগ্ধ হয়ে ফরিদা পারভিন বলেছেনঃ যদি ওর মতো আমার একটা সন্তান থাকতো!! দেখতে হ্যাংলা পাতলা আর অতি সাধারণ বেশভূষার এক গানপাগল মানুষ ইতোমধ্যেই লালন সাইজীর গান গেয়ে মাতিয়েছেন সারা দেশ। মাছরাঙা টেলিভিশন কর্তৃক আয়োজিত ম্যাজিক বাওলিয়ানা ২০১৬ তে তিনি তার অনন্য, অসাধারণ গায়কী দিয়ে জয় করেছেন বিচারকদের মন; নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। সম্পূর্ণ নিজের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন বারবার, অর্জন করেছেন ম্যাজিক বাউলিয়ানার দ্বিতীয় রানার আপ এর পুরষ্কার। তিনি আর কেউ নন, কুষ্টিয়া জেলার ইবি থানার মনোহরদিয়া ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামের মোঃ লাল্টু হোসেন। আজ কথা বলবো মাটি থেকে উঠে আসা গানপাগল এই মাটির মানুষটির সাথে।

 

Bhawal Rajbari – Historical Place to Visit in Bangladesh

Bhawal Rajbari (History of Bhawal Raj Estate)

Bhawal Rajbari- A Beautiful historical place in Bangladesh. It is Second largest zamindari estate in Bangla (in Modern day-Bangladesh). The bhawal estate is now situated in Gazipur. Now It is being used as Gazipur Deputy Commissioner’s Office.
You can visit this place to get the taste of history and know about tradition and lifestyle of Bangla Zamindar.

Panam City Sonargaon-Archaeological Ruins in Bangladesh

Panam City Sonargaon

A short Documentary about Panam city in Sonargaon, Narayanganj, Dhaka, Bangladesh. In this short video you can see the Archaeological ruins of The Panam City Sonargaon. It is a historical place. It is witness of time and history.